স্টাফ রিপোর্টার, গাজীপুরঃ

দেশের লাখো শিক্ষার্থীর আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষা ও বৈশ্বিক কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এবং আইডিপি এডুকেশন বাংলাদেশের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। সোমবার (২৭ জুলাই) রাজধানীর গুলশানে আইডিপি বাংলাদেশের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে স্বাক্ষর করেন ভিসি প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ এবং আইডিপি এডুকেশন বাংলাদেশের পক্ষে স্বাক্ষর করেন কান্ট্রি ডাইরেক্টর রাজিব মাহবুবুল।

অনুষ্ঠানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রো ভিসি প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, ইন্টারন্যাশনাল ডেস্কের পরিচালক রাজ বিন কাসেম, কমিউনিকেশন এক্সপার্ট গৌতম বড়ুয়া, মাল্টি-ল্যাঙ্গুয়েজ লার্নিং ইনস্টিটিউটের কো-অর্ডিনেটর মো. সাইফুল ইসলাম শাহীন এবং ফ্যাকাল্টি অব বিজনেস স্টাডিজের চেয়ারম্যান শেখ মুজাহিদুল ইসলাম।

আইডিপি এডুকেশন বাংলাদেশের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন হেড অব আইইএলটিএস অপারেশনস ইলোরা শাহাব শর্মি, অস্ট্রেলিয়া সরকারের ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট কমিশনের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক সিনিয়র ডাইরেক্টর মোস্তাফিজুর রহমান, স্ট্র্যাটেজিক অ্যালায়েন্স ম্যানেজার মমেনুর রহমান মইন, হেড অব মার্কেটিং মোহাম্মদ শিহাব তালুকদার এবং হেড অব সেলস অ্যান্ড অপারেশন আনোয়ার হোসেনসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

সমঝোতা স্মারকের আওতায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিদেশের স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি, বৃত্তির সুযোগ, উচ্চশিক্ষা বিষয়ে দিকনির্দেশনা এবং আইইএলটিএস প্রস্তুতি ও পরীক্ষা-সংক্রান্ত সহায়তা পাবেন। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় সক্ষম করে তুলতে বিভিন্ন সেমিনার, কর্মশালা, এডুকেশন ফেয়ার ও আইইএলটিএস সচেতনতামূলক কর্মসূচি যৌথভাবে আয়োজন করা হবে।

ভিসি প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ বলেন, দেশের শিক্ষার্থীদের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় এগিয়ে নিতে এবং আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে এই অংশীদারিত্ব একটি গুরুত্বপূর্ণ ও সময়োপযোগী উদ্যোগ। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বিশ্বমানের শিক্ষা গ্রহণে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা ও সহায়তা পাবে।

আইডিপি এডুকেশন বাংলাদেশের কান্ট্রি ডাইরেক্টর, রাজিব মাহবুবুল বলেন, বিশ্বজুড়ে শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন বাস্তবায়নে আইডিপি দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশাল শিক্ষার্থীসমাজের সঙ্গে কাজের সুযোগ পেয়ে তারা আনন্দিত এবং এই উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার গঠনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।